নিজস্ব প্রতিবেদক
০১ অক্টোবর, ২০২৬, 4:47 PM
জাতীয় তাফসির প্রতিযোগিতায় নিবন্ধন ২ হাজার ৫৮০ জনের
দেশে প্রথমবারের মতো আয়োজিত জাতীয় তাফসির প্রতিযোগিতায় ব্যাপক সাড়া পাওয়া গেছে। প্রতিযোগিতায় অংশ নিতে ২ হাজার ৫৮০ জন নিবন্ধন করেছেন। আগামী ১০ অক্টোবর সকাল ১০টায় দেশের আটটি বিভাগীয় শহরে একযোগে অভিন্ন প্রশ্নপত্রে লিখিত পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে।
বৃহস্পতিবার (১ অক্টোবর) ইসলামিক ফাউন্ডেশনের এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।
ইসলামিক ফাউন্ডেশন জানায়, নিবন্ধিত প্রতিযোগীদের নিয়ে প্রথমে বিভাগীয় পর্যায়ে লিখিত পরীক্ষা হবে। লিখিত পরীক্ষায় উত্তীর্ণরাই মৌখিক পরীক্ষায় অংশগ্রহণের জন্য বিবেচিত হবেন।
নিবন্ধনকারীদের মধ্যে ঢাকা বিভাগে ৯১০ জন, চট্টগ্রামে ৫৪৩, রাজশাহীতে ১৯৬, খুলনায় ১৭৯, সিলেটে ২৫০, বরিশালে ১৪৮, রংপুরে ১৬৭ এবং ময়মনসিংহে ১৮৭ জন রয়েছেন।
ঢাকা বিভাগের পরীক্ষা হবে মদীনাতুল উলূম মডেল ইনস্টিটিউট কামিল মাদ্রাসায় (মিশন মাদ্রাসা)। চট্টগ্রামে নেছারিয়া কামিল (এমএ) মাদ্রাসা, খুলনায় খুলনা মেট্রোপলিটন জেলা মডেল মসজিদ ও ইসলামিক সাংস্কৃতিক কেন্দ্র, রাজশাহীতে মদীনাতুল উলুম কামিল মাদ্রাসা এবং সিলেটে ইসলামিক ফাউন্ডেশনের বিভাগীয় কার্যালয় ও ইমাম প্রশিক্ষণ অ্যাকাডেমিতে পরীক্ষা হবে।
এ ছাড়া বরিশালে কাশিপুর হাইস্কুল অ্যান্ড কলেজ, রংপুরে জেলা মডেল মসজিদ ও ইসলামিক সাংস্কৃতিক কেন্দ্র এবং ময়মনসিংহে নাসিরাবাদ বিশ্ববিদ্যালয় কলেজে লিখিত পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে।
লিখিত পরীক্ষার পূর্ণমান ৫০ এবং সময় এক ঘণ্টা। প্রশ্নপত্রে এক কথায় উত্তর, সংক্ষিপ্ত উত্তর ও সংক্ষিপ্ত বিশ্লেষণধর্মী প্রশ্ন থাকবে। পরীক্ষার্থীদের কলম সঙ্গে নিয়ে আসতে হবে এবং পরীক্ষা শুরুর অন্তত ৩০ মিনিট আগে কেন্দ্রে উপস্থিত হতে বলা হয়েছে।
ইসলামিক ফাউন্ডেশন জানায়, লিখিত পরীক্ষার উত্তরপত্র মূল্যায়ন করে সেদিনই তাদের ওয়েবসাইট, ফেসবুক পেজ ও সংশ্লিষ্ট বিভাগীয় কার্যালয়ের নোটিশ বোর্ডে ফল প্রকাশ করা হবে। উত্তীর্ণদের মৌখিক পরীক্ষার সময়সূচি সংশ্লিষ্ট বিভাগীয় কার্যালয় থেকে জানানো হবে।
এ প্রতিযোগিতায় জাতীয় ও বিভাগীয় পর্যায়ে মোট ১৬ লাখ ২০ হাজার টাকা নগদ পুরস্কার দেওয়া হবে। এর মধ্যে জাতীয় পর্যায়ে দুই গ্রুপে ছয়জন বিজয়ীকে মোট ৯ লাখ টাকা এবং বিভাগীয় পর্যায়ে আট বিভাগে ৪৮ জন বিজয়ীকে মোট ৭ লাখ ২০ হাজার টাকা দেওয়া হবে। বিজয়ীদের ক্রেস্ট ও সনদপত্রও দেওয়া হবে।
জাতীয় পর্যায়ে চ্যাম্পিয়নরা ২ লাখ টাকা করে, প্রথম রানার্সআপ ১ লাখ ৫০ হাজার টাকা এবং দ্বিতীয় রানার্সআপ ১ লাখ টাকা করে পুরস্কার পাবেন। বিভাগীয় পর্যায়ে প্রথম, দ্বিতীয় ও তৃতীয় বিজয়ী পাবেন যথাক্রমে ২০ হাজার, ১৫ হাজার ও ১০ হাজার টাকা।
বিভাগীয় পর্যায়ে নির্বাচিত ৪৮ জন বিজয়ীকে নিয়ে জাতীয় পর্যায়ের প্রতিযোগিতার আগে ঢাকায় সাত দিনের ইন-হাউস প্রশিক্ষণের আয়োজন করা হবে।
ইসলামিক ফাউন্ডেশনের পক্ষ থেকে নিবন্ধিত প্রতিযোগীদের যথাসময়ে নিজ নিজ পরীক্ষা কেন্দ্রে উপস্থিত থাকার অনুরোধ জানানো হয়েছে।