ঢাকা ০৭ মে, ২০২৬
সংবাদ শিরোনাম
নজিরবিহীন পরিস্থিতি, একদিনের রাষ্ট্রপতি শাসন হবে পশ্চিমবঙ্গে? সোনার দাম আরও বাড়ল ইরান যুদ্ধের প্রভাবে যুক্তরাষ্ট্রের বাজারে জ্বালানি তেলের দাম বেড়েছে ৫২% এক পৃষ্ঠার একটি সমঝোতা-স্মারক চূড়ান্তের দ্বারপ্রান্তে যুক্তরাষ্ট্র-ইরান কলকাতায় শুভেন্দুর সহকারীকে গুলি করে হত্যা প্রশাসনকে জনমুখী করে গড়ে তুলতে হবে : প্রধানমন্ত্রী একদিন পরই বাড়ল সোনার দাম বৃহস্পতিবার ৫ ঘণ্টা বন্ধ থাকবে ফুয়েল পাস রেজিস্ট্রেশন শপথ নিলেন এনসিপির নুসরাত তাবাসসুম ইরানে সামরিক অভিযান সমাপ্ত : রুবিও

জ্বালানি সংকটের আশঙ্কায় চট্টগ্রামের ফিলিং স্টেশনে দীর্ঘ লাইন

#

নিজস্ব প্রতিবেদক

০৭ মার্চ, ২০২৬,  1:40 PM

news image

মধ্যপ্রাচ্যে চলমান যুদ্ধ পরিস্থিতির খবর ছড়িয়ে পড়ার পর চট্টগ্রাম নগরের বিভিন্ন ফিলিং স্টেশনে জ্বালানি তেল নিতে চালকদের ভিড় বেড়েছে। সম্ভাব্য সরবরাহ সংকট ও দাম বাড়ার আশঙ্কায় অনেকেই আগেভাগে ট্যাংক পূর্ণ করে তেল নিচ্ছেন। এতে পাম্পগুলোতে দীর্ঘ লাইন দেখা গেছে।

তবে বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম কর্পোরেশন, যমুনা অয়েল কোম্পানি লিমিটেড ও পদ্মা অয়েল থেকে বলা হচ্ছে, জ্বালানি তেলের সংকট নেই। পর্যাপ্ত মজুদ আছে। গুজবে কান না দেওয়ার অনুরোধ এসব প্রতিষ্ঠানের।

শনিবার (৭ মার্চ) সকালে দেখা যায়, নগরীর গণি বেকারি মোড়ের কিউসি ট্রেডিং লিমিটেড ফিলিং স্টেশনে পাম্পের ভেতর থেকে সড়ক পর্যন্ত গাড়ির লাইন চলে যায়। চান্দগাঁও স্টেশনেও গাড়ির অতিরিক্ত উপস্থিতি দেখা গেছে। সেখানে কর্মচারীদের দ্রুত তেল সরবরাহ করতে হিমশিম খেতে দেখা যায়।

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, পাঁচলাইশ, ষোলশহর, অক্সিজেন ও নতুন ব্রিজসহ নগরের বিভিন্ন এলাকার ফিলিং স্টেশনে গাড়ির চাপ বেড়েছে। বেশিরভাগ চালকই ট্যাংক পূর্ণ করে তেল নিচ্ছেন। ফলে স্বাভাবিক সময়ের তুলনায় বিক্রি বেড়ে যাওয়ায় কিছু পাম্পে মজুত দ্রুত কমে গেছে।

এদিকে গত শুক্রবার থেকে নগরের বিভিন্ন পাম্পে মোটরসাইকেল, প্রাইভেটকার ও অন্যান্য যানবাহনের চাপ বেড়েছে।

বর্তমানে ফিলিং স্টেশনগুলোতে ডিজেল লিটারপ্রতি ১০০ টাকা, কেরোসিন ১১২ টাকা, অকটেন ১২০ টাকা এবং পেট্রোল ১১৬ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

পাম্প কর্মচারীরা জানান, স্বাভাবিক সময়ের তুলনায় এখন দেড় থেকে দুইগুণ বেশি যানবাহন তেল নিতে আসছে। অনেক চালক সরাসরি ফুল ট্যাংক করতে চাইছেন। এতে প্রতিটি গাড়িতে তেল দিতে বেশি সময় লাগছে এবং লাইনের চাপ বাড়ছে।

চান্দগাঁও ফিলিং স্টেশনের অপারেটর সেলিম উল্লাহ জানান, তাদের কাছে তেলের কোনো ঘাটতি নেই এবং দামও বাড়েনি। তবু আতঙ্কে মানুষ অতিরিক্ত তেল কিনছেন।

পদ্মা অয়েলের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. মফিজুর রহমান বলেন, সরকারের নির্দেশনা অনুযায়ী তারা কার্যক্রম পরিচালনা করছেন এবং বর্তমানে জ্বালানি তেলের কোনো সংকট নেই। তবে অযথা বেশি তেল কিনে কৃত্রিম সংকট তৈরি না করার জন্য তিনি সবার প্রতি অনুরোধ জানান।

যমুনা অয়েল কোম্পানি লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক প্রকৌশলী মো. আমীর মাসুদ বলেন, তেল সরবরাহ স্বাভাবিক আছে। তেলের সংকট হয়েছে বলা হচ্ছে, এটি ঠিক নয়।

logo
সম্পাদক ও প্রকাশক : ডাঃ শাহ মোঃ রেজাউল করিম
নির্বাহী সম্পাদকঃ মো. বেলাল শেখ