ঢাকা ০৭ মে, ২০২৬
সংবাদ শিরোনাম
নজিরবিহীন পরিস্থিতি, একদিনের রাষ্ট্রপতি শাসন হবে পশ্চিমবঙ্গে? সোনার দাম আরও বাড়ল ইরান যুদ্ধের প্রভাবে যুক্তরাষ্ট্রের বাজারে জ্বালানি তেলের দাম বেড়েছে ৫২% এক পৃষ্ঠার একটি সমঝোতা-স্মারক চূড়ান্তের দ্বারপ্রান্তে যুক্তরাষ্ট্র-ইরান কলকাতায় শুভেন্দুর সহকারীকে গুলি করে হত্যা প্রশাসনকে জনমুখী করে গড়ে তুলতে হবে : প্রধানমন্ত্রী একদিন পরই বাড়ল সোনার দাম বৃহস্পতিবার ৫ ঘণ্টা বন্ধ থাকবে ফুয়েল পাস রেজিস্ট্রেশন শপথ নিলেন এনসিপির নুসরাত তাবাসসুম ইরানে সামরিক অভিযান সমাপ্ত : রুবিও

পৌনে ২ কোটি টাকার মনোনয়ন বাণিজ্য, ফাঁসলেন জাতীয় পার্টির রাঙ্গা

#

নিজস্ব প্রতিবেদক

১৯ জানুয়ারি, ২০২৬,  7:39 PM

news image

সাবেক পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় প্রতিমন্ত্রী এবং জাতীয় পার্টির প্রেসিডিয়াম সদস্য ও সাবেক মহাসচিব মো. মশিউর রহমান রাঙ্গার বিরুদ্ধে দ্বাদশ সংসদ নির্বাচনে অংশগ্রহণের জন্য সুযোগ তৈরি করে দিয়ে ১ কোটি ৭০ লাখ টাকা ঘুষ হিসেবে গ্রহণের প্রমাণ পেয়েছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।

কুড়িগ্রাম-২ আসনের সাবেক এমপি পনির উদ্দিন আহমেদ কাছ থেকে ওই টাকা ঘুষ হিসাবে নেওয়ার অভিযোগে রাঙ্গা ও পনির উদ্দিনের বিরুদ্ধে মামলার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সংস্থাটি। 

সোমবার (১৯ জানুয়ারি) দুদকের প্রধান কার্যালয় থেকে ওই মামলার সিদ্ধান্ত হয়েছে বলে জানিয়েছেন সংস্থাটির মহাপরিচালক মো. আক্তার হোসেন।

অনুসন্ধান প্রতিবেদন সূত্রে জানা যায়, সাবেক পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় প্রতিমন্ত্রী এবং জাতীয় পার্টির প্রেসিডিয়াম সদস্য ও সাবেক মহাসচিব মো. মশিউর রহমান রাঙ্গা ব্যবসায়িক সম্পর্ক না থাকা সত্ত্বেও আসামি কুড়িগ্রাম-২ আসনের সাবেক এমপি পনির উদ্দিন আহমেদকে দ্বাদশ সংসদ নির্বাচনে অংশগ্রহণের জন্য সুযোগ তৈরি করে দিয়ে ১ কোটি ৭০ লাখ টাকা ঘুষ হিসেবে গ্রহণ করেছেন।

অনুসন্ধানকালে আরও দেখা যায়, আসামি পনির উদ্দিন আহমেদ মেসার্স জলিল বিড়ি ফ্যাক্টরি এবং হক স্পেশাল (পরিবহন ব্যবসা) নামীয় প্রতিষ্ঠানের সত্ত্বাধিকারী। ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশের কুড়িগ্রাম শাখায় পরিচালিত আসামি পনির উদ্দিন আহমেদের মালিকানাধীন হক স্পেশাল নামীয় হিসাব থেকে ২০১৮ সালের ৩০ অক্টোবর ওই ব্যাংকের রংপুর শাখায় পরিচালিত আসামি মো. মশিউর রহমান রাঙ্গার হিসাবে ২০ লাখ টাকা ট্রান্সফার করা হয়। সোনালী ব্যাংক লিমিটেডের কুড়িগ্রাম শাখা থেকে পনির উদ্দিন আহমেদ রাঙ্গার সোনালী ব্যাংকের সংসদ ভবন শাখায় ২০১৮ সালের নভেম্বরে চার দফায় ১ কোটি ৫০ লাখ টাকা জমা করেন। এভাবে মোট ১ কোটি ৭০ লাখ টাকা ঘুষ হিসেবে দেওয়া হয়েছে। ওই টাকা স্থানান্তর, হস্তান্তর, রূপান্তর, লেনদেনের মাধ্যমে আড়াল করার চেষ্টা করেছে। যা দণ্ডবিধির ১৬১/১৬৫/১০৯ ধারা, দুর্নীতি প্রতিরোধ আইন, ১৯৪৭ এর ৫(২) এবং মানিলন্ডারিং প্রতিরোধ আইন, ২০১২ এর ৪(২) ও ৪(৩) ধারায় শাস্তিযোগ্য অপরাধ হয়েছে। এ কারণে তাদের বিরুদ্ধে মামলা রুজুর সিদ্ধান্ত দিয়েছে কমিশন।

অন্যদিকে মো. মশিউর রহমান রাঙ্গার বিরুদ্ধে সন্দেহভাজন সম্পদের তথ্য পাওয়ায় তা যাচাই-বাছাই করতে দুর্নীতি দমন কমিশন আইন, ২০০৪ এর ২৬(১) ধারায় তার নামে সম্পদ বিবরণী নোটিশ জারির সিদ্ধান্ত হয়েছে বলে জানা গেছে।

logo
সম্পাদক ও প্রকাশক : ডাঃ শাহ মোঃ রেজাউল করিম
নির্বাহী সম্পাদকঃ মো. বেলাল শেখ