স্পোর্টস ডেস্ক
১৯ মে, ২০২৬, 12:31 PM
বিশ্বকাপে সবচেয়ে বেশি ম্যাচ খেলেছে কারা, ব্রাজিল-আর্জেন্টিনা কোথায়
ফুটবলের বিশ্বযুদ্ধের দামামা বেজে উঠেছে। এবারের আসরে অংশ নেবে ৪৮ দল। ট্রফি হাতে নিতে জয়ের ধারাবাহিকতায় থাকার বিকল্প নেই প্রতিযোগী দলগুলোর সামনে। এখন পর্যন্ত সবচেয়ে বেশিবার পাঁচটি ট্রফি জিতেছে ব্রাজিল। একমাত্র দল হিসেবে তারা সবগুলো আসরেই খেলছে। প্রশ্ন উঠতে পারে, সবচেয়ে বেশি শিরোপা জয়, তাহলে কি সর্বাধিক ম্যাচও তারা খেলেছে?
ঠিক তাই। ২০০২ সালে শেষবার বিশ্ব চ্যাম্পিয়ন হলেও বিশ্বকাপ নিয়ে আলোচনা হলেই উঠে আসে তাদের নাম এবং অন্য দলগুলোকে ছাপিয়ে তারাই থাকে এগিয়ে। বিশ্বকাপের প্রত্যেক আসর খেলায় সবচেয়ে বেশি ম্যাচ খেলার কৃতিত্বও ব্রাজিলের। ১১৪ ম্যাচ খেলেছে তারা।
পাঁচটি বিশ্বকাপ ট্রফি এবং পেলে, রোনালদো, রোমারিও, রোনালদিনহো ও এখন ভিনিসিয়ুস জুনিয়রের মতো তারকাদের নিয়ে ব্রাজিল বর্তমানে বিশ্বকাপ ফুটবলের এক অনন্য প্রতীক।
বিশ্বকাপে জার্মানির সাম্প্রতিক ইতিহাস ভালো নয়। যদিও টুর্নামেন্টের ইতিহাসে তারা ইউরোপের সবচেয়ে অভিজ্ঞ দেশ। জার্মানি বিশ্বকাপে ১১২ ম্যাচ খেলে এই তালিকায় দ্বিতীয় স্থানে। জার্মানরা প্রায় সব আসরেই সেমিফাইনাল, ফাইনাল কিংবা সরাসরি চ্যাম্পিয়নশিপের জন্য লড়াই করেছে।
বিশ্বকাপ ইতিহাসে ব্রাজিল ও জার্মানিই কেবল একশর বেশি ম্যাচ খেলেছে। ৮৮ ম্যাচ খেলে এই তালিকায় তিন নম্বরে বর্তমান চ্যাম্পিয়ন আর্জেন্টিনা। গতবার লিওনেল মেসির নেতৃত্বে শিরোপা জিতে বিশ্বকাপে সবচেয়ে বেশি ম্যাচ খেলার দৌড়ে দুই জায়ান্টের সঙ্গে ব্যবধান বেশ কমিয়েছে তারা।
আর্জেন্টিনা এই তালিকায় চারে থাকতে পারতো। কারণ তাদের গা ঘেষে থাকা ইতালি যে গত তিনটি বিশ্বকাপে খেলতেই পারেনি। ২০০৬ সালে যৌথভাবে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ চারটি ট্রফি জেতা আজ্জুরিরা বিশ্বমঞ্চে ৮৩ ম্যাচ খেলেছে।
সম্প্রতি বিশ্ব ফুটবলে চমক দেখানো ইংল্যান্ড ৭৪ ম্যাচ খেলে পঞ্চম স্থানে। ১৯৬৬ সালে একমাত্র ট্রফি জেতা থ্রি লায়নরা নিয়মিত বিশ্বকাপে খেলছে এবং শিরোপার দাবিদার হিসেবেই খেলে গেছে।
২০১৮ ও ২০২২ সালের বিশ্বকাপে টানা দুটি ফাইনাল খেলা ফ্রান্স বর্তমানে বিশ্ব ফুটবলের পরাশক্তি। দেশের ফুটবল ইতিহাসের অন্যতম সফল এই প্রজন্মের হাত ধরে তিন আসরে দ্বিতীয়বার চ্যাম্পিয়ন হওয়ার লক্ষ্য ফ্রান্সের। ইতোমধ্যে তারা খেলেছে ৭৩ ম্যাচ।
সবচেয়ে বেশি ম্যাচ খেলার তালিকায় উল্লেখযোগ্য দল হিসেবে আরও আছে স্পেন (৬৭), মেক্সিকো (৬৬), উরুগুয়ে (৫৯) ও নেদারল্যান্ডস (৫৫)।