ঢাকা ০৬ আগস্ট, ২০২৬
সংবাদ শিরোনাম
সাদ্দাম-ইনানকে ফোনে হামলার নির্দেশ দেন ওবায়দুল কাদের সোনার দাম ভরিতে একলাফে বাড়ল ৯,৮৫৬ টাকা হাড়ি-পাতিল, গ্যাসের চুলা নিয়ে ১১ দলের অবস্থান কর্মসূচিতে নারীরা সচিবালয় ঘেরাও করতে গেল ১১ দলীয় ঐক্য, আটকে দিলো পুলিশ আমরা যেন জুলাইকে হারিয়ে না ফেলি : রাষ্ট্রপতি দিল্লিতে শেখ হাসিনাকে কথা বলতে দেওয়ায় ক্ষুব্ধ ঢাকা ‘জুলাই গণঅভ্যুত্থান স্মৃতি জাদুঘর’ উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী উত্তেজনার মধ্যে ব্রাজিলের রাষ্ট্রদূতের ভিসা বাতিল করল যুক্তরাষ্ট্র ভারী বৃষ্টি-উজানের ঢলে তিস্তার পানি বিপৎসীমার ১৩ সেন্টিমিটার ওপরে ছুটির আনন্দে ঘরমুখী মানুষের ঢল, গাজীপুরে মহাসড়কে তীব্র চাপ

মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধের জেরে বিশ্ববাজারে খাদ্যপণ্যের দাম বেড়েছে

#

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

০৪ এপ্রিল, ২০২৬,  12:05 PM

news image

মধ্যপ্রাচ্যে চলমান যুদ্ধ পরিস্থিতির জেরে বিশ্ববাজারে জ্বালানি তেল ও পণ্য পরিবহন খরচ (ফ্রেট কস্ট) বেড়ে যাওয়ায় গত মার্চ মাসে খাদ্যপণ্যের দাম ব্যাপকভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে। জাতিসংঘের এক সাম্প্রতিক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

জাতিসংঘের খাদ্য ও কৃষি সংস্থার (এফএও) প্রকাশিত খাদ্যপণ্যের বৈশ্বিক মূল্যসূচক অনুযায়ী, মার্চ মাসে দাম বেড়েছে ২.৪ শতাংশ। এ নিয়ে টানা দ্বিতীয় মাসের মতো বিশ্ববাজারে খাদ্যের দাম বাড়ল। এর আগে টানা পাঁচ মাস কমার পর গত ফেব্রুয়ারিতে প্রথমবার এই সূচকটি ঊর্ধ্বমুখী হয়েছিল।

এফএওর সূচকটি মূলত শস্য, চিনি, মাংস, দুগ্ধজাত পণ্য এবং ভোজ্য তেলের দামের ওপর ভিত্তি করে তৈরি করা হয়। প্রতিবেদন অনুযায়ী ভোজ্য তেলের দাম মার্চ মাসে বেড়েছে ৫ শতাংশ। সবচেয়ে বেশি দাম বেড়েছে চিনির, প্রায় ৭ শতাংশ। এ ছাড়া গমের দাম বেড়েছে ৪.৩ শতাংশ।

বিশ্লেষকরা আশঙ্কা করছেন, মধ্যপ্রাচ্যের এই যুদ্ধ দীর্ঘস্থায়ী হলে খাদ্য মুদ্রাস্ফীতি চরম আকার ধারণ করতে পারে। বিশেষ করে জ্বালানি তেল, সার এবং বিদ্যুৎ উৎপাদনের খরচ বেড়ে যাওয়ায় খাদ্য উৎপাদন, প্রক্রিয়াকরণ ও পরিবহন সব ক্ষেত্রেই ব্যয় বেড়ে গেছে।

বিশ্বের মোট উৎপাদিত সারের প্রায় এক-তৃতীয়াংশ পরিবাহিত হয় কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালি দিয়ে। যুদ্ধের কারণে এই নৌপথটি কার্যত বন্ধ থাকায় সার সরবরাহ ব্যবস্থা ভেঙে পড়েছে। জাতিসংঘের পূর্বাভাস অনুযায়ী, এই সংকট চলতে থাকলে ২০২৬ সালের প্রথমার্ধে বিশ্ববাজারে খাদ্যের দাম ১৫ থেকে ২০ শতাংশ পর্যন্ত বেড়ে যেতে পারে।

গমের দাম বাড়ার পেছনে কেবল যুদ্ধ নয়, প্রাকৃতিক কারণও রয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রে খরা পরিস্থিতি এবং সারের দাম বেড়ে যাওয়ায় অস্ট্রেলিয়ায় চাষাবাদ কমে যাওয়া দাম বৃদ্ধিতে ভূমিকা রেখেছে। তবে ইউরোপে গমের ভালো ফলন এবং রপ্তানিকারকদের মধ্যে প্রতিযোগিতা এই দাম বৃদ্ধিকে কিছুটা লাগাম টেনে ধরেছে।

সূত্র : দ্য গাডিয়ান।  

logo
সম্পাদক ও প্রকাশক : ডাঃ শাহ মোঃ রেজাউল করিম
নির্বাহী সম্পাদকঃ মো. বেলাল শেখ